Ads Top

চিনে নিন নতুন নতুন ভাইরাস !!


                                                      চিনে নিন নতুন নতুন ভাইরাস !!

আস-সালামু আলাইকুম। পরমকরুনাময় আল্লাহপাকের নামে শুরু করছি। আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে সবাই ভালো আছেন। আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিছু নতুন ভাইরাস

চিনে নিন নতুন নতুন ভাইরাস !!

কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য অন্যতম একটি সমস্যার নাম হচ্ছে ভাইরাস। তবে এই সময়ে ভাইরাস শুধু আর ভাইরাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। ট্রোজান, ওয়ার্ম, স্পাইওয়্যার, ম্যালওয়্যার সহ এখন রয়েছে নানান রকম সব ভাইরাস। সময়ের সাথে সাথে ভাইরাস নির্মাতারা আরো বেশী আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। আর তাতে করে প্রতিনিয়তই জন্ম নিচ্ছে নতুন নতুন শ্রেণীর ভাইরাস। নানান ধরনের এইসব ভাইরাসকে ঠিকমতো চিনতে না পারলে পিসিকে সুরক্ষিত রাখা এক কথায় বলতে গেলে অসম্ভব। এই লেখায় প্রধান কিছু ভাইরাসের পরিচয় তুলে ধরার চেষ্টা করা হলো।

সিস্টেম ভাইরাসঃ  সি-ড্রাইভের সিস্টেম ৩২ ফাইলগুলোকে আক্রমণকারী ভাইরাসকে বলা হয়ে থাকে সিস্টেম ভাইরাস। যে কোনো অপারেটিং সিস্টেমের সবচেয়ে সংবেদনশীল স্থান হচ্ছে সিস্টেম ৩২। সিস্টেম ৩২ এর কোনো ফাইল পরিবর্তন করলে তা সমগ্র সিস্টেমে প্রভাব ফেলে। তাই সিস্টেম ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সিস্টেম ৩২ রিপেয়ার করে তার পরই ডিলিট করতে হয় এই ভাইরাস। তবে বেশীরভাগ সময়েই এই ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে হলে গোটা অপারেটিং সিস্টেমকে নতুন করে সেট আপ দিতে হয়।

বুট সেক্টর ভাইরাসঃ পিসির সিস্টেম ফাইলের পরিবর্তে যে সব ভাইরাস বুট করতে প্রয়োজনীয় ফাইলগুলোকে আক্রমণ করে থাকে, তাদেরকেই বলা হয় বুট সেক্টর ভাইরাস। এসব ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে হলে নতুন করে সিস্টেম ইন্সটল করার বিকল্প নেই।

পলিমরফিক ভাইরাসঃ সবচেয়ে খারাপ ধরনের ভাইরাসের মধ্যে রয়েছে এই পলিমরফিক ভাইরাস। এরা সেকেন্ডে লাখ লাখ কপি তৈরী করে। শুধু তাই নয় কপিগুলোকে নতুন কোড/স্ক্রিপ্ট বিশিষ্ট করে তৈরী করা হয়। ফলে এগুলো সহজে চিহ্নিত করা যায় না। আর প্রতিটি নতুন কপি থেকেই তৈরি হয় নতুন নতুন কপি। অথাৎ প্রতিটি ভাইরাস ইউনিট নতুন মাদার ভাইরাস হিসেবে কাজ করে। এতে করে খুব দ্রুত পিসিতে কোটি কোটি ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে এবং হার্ডডিস্কের জায়গা কমে যায়। এক সময় পুরো হার্ডডিস্ক ভর্তি হয়ে যায় এই ভাইরাসে। আবার অবিরত কপি চলতে থাকে বলে পিসিও কাজ করে খুব ধীর গতিতে। এতে করে পিসির অন্যান্য কাজকর্মগুলো স্বাভাবিকভাবে করা যায় না কোনোভাবেই।

মাইক্রো ভাইরাসঃ এসকল ভাইরাস মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল বা পিডিএফ ফরমেটের ফাইলকে আক্রান্ত করে। এসব ভাইরাসের মধ্যে রয়েছে কনসেপ্ট ও মেলিসা ওয়ার্ম।

এইসব ভাইরাসের আক্রমণ অনেক সময়েই খুব বড় আকারে হয়ে থাকে। অনেক সময় বিশ্বব্যাপী একটি ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে বড় বড় সার্ভারকেও বিকল করে দেয়। তেমনি একটি ভাইরাস মেলিসা। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড নির্ভর এই ভাইরাসটির আগমন ১৯৯৯ সালে। বলা হয়ে থাকে প্রতি ৫০টি পিসির একটি এর দ্বারা আক্রান্তও ক্ষতির সম্মুখীন হয়। আরেকটি ভাইরাসের নাম আই লাভ ইউ ভাইরাস। এই ওয়ার্মটি মেইলের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। এটি আক্রান্ত পিসির পাসওয়ার্ড উন্মুক্ত করে দিতে সক্ষম। ২০০০ সালে হামলা চালানো এই ভাইরাস ১০ বিলিয়ন ডলার সমপরিমাণের ক্ষতি করেছে বলে জানা যায়। অ্যান্টিভাইরাসকে অচল করে দেয়ার একটি ভাইরাস হচ্ছে ক্লেজ ভাইরাস। ভালো অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার না করলে ভাইরাসের হাত থেকে নিস্তার পাওয়া খুব কঠিন। বিশেষত এই ইন্টারনেটের যুগে কখন কোথা থেকে ভাইরাস এসে পড়ে, কে বলতে পারে? তাই গ্রহণ করুন সতর্কতা।

ধন্যবাদ সবাইকে, নিজে জানুন অন্যকে জানান ।

No comments:

Powered by Blogger.